দেশের ফুটবলের সফলতা কাহিনীতে লাল-সবুজের যুবতীরা অবস্থিত প্রধান চরিত্র হিসেবে। ছেলেদের ফুটবলে দীর্ঘ সময় ধরে শিরোপার অভাব থাকলেও, নারীরা যেন ত Trophy জয়ের অভ্যাসে পরিণত করেছেন। বাংলাদেশ আজ এক নতুন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে প্রবেশ করছে।
হিমালয়ের শহর পোখারার রঙ্গশালায় সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ এবং ভারত। বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া দুইটায় শুরু হবে এই শিরোপার ম্যাচ।
নেপালের মাঠ সবসময় বাংলাদেশ দলের জন্য সৌভাগ্যের স্থান। ১৯৯৯ সালে সাফ গেমসে পুরুষ ফুটবল দল সেই দেশে প্রথমবার ট্রফি জিতেছিল। সাবিনা খাতুনদের দল সেখানে দুটি সাফ জয়লাভ করেছে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে আরো নানান উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে, যেখানে ভারতকে হারিয়ে ট্রফি জয়ের কথাও রয়েছে।
তবে গত কয়েক মাসে ভারত এবং বাংলাদেশ মুখোমুখি হলে প্রবণতা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পক্ষে যাচ্ছে। নভেম্বর মাসে পুরুষ ফুটবলে ২২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভারতকে হারানোর পর, গত মাসে নারী ফুটসালেও ৩-১ গোলে জয়লাভ করেছে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে। এই সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলে লিগ পর্বে বাংলাদেশ ভারতকে ২-০ গলে পরাজিত করেছে। সেই সময়ের পরে আজ আবারও দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয়ের সুযোগ আসছে বাংলাদেশের নারীদের সামনে।
শিরোপা সংক্রান্ত দুই দলের কোচ
পোখারায় লাল-সবুজ দল কি জয়লাভ করবে, তা জানতে প পাইব ঠিক কিছু ঘন্টা পরই। কিন্তু যে আত্মবিশ্বাস এবং খেলার শৈলী নিয়ে আলপি-মুঙ্কিরা খেলছেন, তাতে আরেকটি ট্রফি অর্জন করা খুবই সম্ভব।
সাফের বয়সভিত্তিক (অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০) প্রতিযোগিতাগুলোতে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রতাপ নিঃসন্দেহ। এই পর্যন্ত আয়োজিত ছয়টি টুর্নামেন্টের পাঁচটিতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি। বর্তমান টুর্নামেন্টেও তারা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ান। এর মধ্যে তারা এককভাবে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং একবার যৌথভাবে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে। ২০০৪ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ আসরে ঘটনাবলীর কারণে বাংলাদেশ এবং ভারতকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে গত বছর অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে এককভাবে আধিপত্য গড়ে ট্রফি নিজেদের দখলে নিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা।

